মৌলিক চাহিদা পূরণের একমাত্র বিকল্প ‘ইন্টারনেট’
সংবিধানের পাঁচটি মৌলিক অধিকার বাস্তাবায়নে প্রযুক্তি ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
তিনি বলেছেন, প্রযুক্তি একমাত্র মাধ্যম, যার মাধ্যমে সংবিধানে যে ৫টি মৌলিক চাহিদা তথা অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা চিকিৎসা,বাসস্থান নিশ্চিত করতে হবে। এই অধিকারগুলো নিশ্চিত করতে হলে আমাদের প্রযুক্তি ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই।
পলক বলেন, আগামী ৪ বছরে প্রতিটি স্কুল ও কলেজে আরো ২০ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথাকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, যদি আমরা প্রতিটি গ্রামকে শহরে রূপান্তর করতে চাই, তবে প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুতের পাশাপাশি ঘরে ঘরে ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দিতে হবে। আধুনিক সংযোগ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হবে। আর এগুলো একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিশ্চিত করতে হলে উচ্চগতির সুলভ মূল্যে ইন্টারনেট নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প আমাদের কাছে নেই। প্রতিবছর যে ২০ লাখ তরুণ-তরুণী চাকরি বাজারে প্রবেশ করছে তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হলে প্রযুক্তি ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই।
তথ্য ও প্রযক্তি প্রতিমন্ত্রী জানান, গত ১১ বছরে বাংলাদেশের ইউনিয়ন পর্যন্ত ফাইবার অপটিক ক্যাবল পৌঁছে দেয়া হয়েছে। ৩ হাজার ৮০০ ইউনিয়নে আইসিটি বিভাগ থেকে ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল পৌঁছে দেয়া হয়েছে। সারা বাংলাদেশে এখন ১০ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। বাংলাদেশে এখন ১০ লাখ তরুণ-তরুণী আইসিটি খাতে কাজ করে। শুধু কালিয়াকৈরি হাই-টেক সিটি নয়; রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, বরিশাল, চট্টগ্রামসহ সারা বাংলাদেশে ২৮টি হাইটেক পার্ক নির্মাণ কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই ৪টি হাইটেক পার্ক নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। ৬৪টি শেখ কামাল আইসিটি ইনকিউবেটর সেন্টার তৈরি হচ্ছে। ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত আইসিটি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। হাতে কলমে প্রোগ্রামিং, কোডিং শেখানো হচ্ছে। এজন্য দেশজুড়ে ৮ হাজার কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে।